প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১০:২৮ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে এমপি ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, নিম্নমানের ইট বদলের নির্দেশ

 

ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চলমান গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ। পরিদর্শনের সময় একটি প্রকল্পে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করতে দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তা পরিবর্তনের নির্দেশ দেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্প সরেজমিনে ঘুরে দেখেন তিনি। এ কর্মসূচির আওতায় কাবিখা, কাবিটা, টিআর ও নগদ অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে ২২টি প্রকল্পে প্রায় ৩০ লাখ টাকা এবং ২২ মেট্রিক টন গমের বিপরীতে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

পরিদর্শনে তিনি মাগুরা, গঙ্গানন্দপুর, শিমুলিয়া, নাভারণ ও নির্বাসখোলা ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক উন্নয়ন, আরসিসি ঢালাই, ইটের সলিং ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রকল্পগুলোর নির্মাণমান যাচাই করতে সংসদ সদস্য নিজেই ফিতা দিয়ে রাস্তার প্রস্থ পরিমাপ করেন এবং ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষা করেন। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও কাজের মান সম্পর্কে মতামত নেন।

এ সময় ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, "এসব উন্নয়ন প্রকল্প জনগণের অর্থে বাস্তবায়ন হচ্ছে। সব কাজ নিয়মিত আমার পক্ষে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। তাই আপনারাও কাজের মান দেখবেন। কোথাও কোনো অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজ চোখে পড়লে আমাকে জানাবেন। জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।"

পরিদর্শনের এক পর্যায়ে নির্বাসখোলা ইউনিয়নের রাজারডুমুরিয়া এলাকায় একটি রাস্তার সলিংকরণ কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করতে দেখে তিনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তাৎক্ষণিকভাবে ইট পরিবর্তনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণকে উন্নয়ন কাজের তদারকিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জালাল আহমেদ, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক হারুন অর রশিদ, নির্বাসখোলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুজাহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

স্থানীয়রা জানান, উন্নয়নাধীন এসব গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর অন্যতম ভোগান্তির কারণ ছিল। প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে কৃষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচল সহজ হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি আসবে বলে তারা আশা করছেন।
 

মন্তব্য করুন