প্রকাশিত: ৩ মে, ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের রামাল্লার উত্তর-পূর্বের মুঘাইর গ্রামে একটি স্কুলে গুলির ঘটনায় এক কিশোর শিক্ষার্থী ও এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
গত ২১ এপ্রিল মুঘাইর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুল প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ১৪ বছর বয়সী আউস আল-নাসান এবং স্থানীয় বাসিন্দা জিহাদ আবু নাইম রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সশস্ত্র ইসরায়েলি বাহিনীর সদস্যরা স্কুলের দিকে এগিয়ে এলে শিক্ষকরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ভেতরে নিয়ে গেট বন্ধ করে দেন। এ সময় পাহাড়ের ওপর থেকে গুলি ছোড়া হলে স্কুল গেটের কাছে থাকা আউস গুরুতর আহত হয় এবং পরে তার মৃত্যু হয়।
এর কিছুক্ষণ পর আরেক দফা গুলিতে জিহাদ আবু নাইম নিহত হন। তিনি স্থানীয় এক শিক্ষকের স্বজন ছিলেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর স্কুলজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তার জন্য স্কুল ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্কুলসহ বেসামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে, যা শিশুদের শিক্ষা ও স্বাভাবিক জীবনকে হুমকির মুখে ফেলছে।
আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফ বলছে, এ ধরনের হামলা বিচ্ছিন্ন নয়; বরং শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার একটি ধারাবাহিক প্রবণতার অংশ।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, পশ্চিম তীরে সাম্প্রতিক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।
তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তাদের সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে গুলি চালিয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
মন্তব্য করুন